বেলচূর্ণ (বেলের গুড়া) – ১০০গ্রাম

80.00

বেলচূর্ণ বলতে সাধারণত বেলের ফল শুকিয়ে গুঁড়া করা অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা বেলশুট বা বেল পাউডার নামেও পরিচিত। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধিতে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া নিরাময়ে, এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে।

Description

বহু পুষ্টি গুণে ভরপুর সুস্বাদু ফল বেল। বেলের মাঝে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, প্রোটিন, বিটা–ক্যারোটিন, ভিটামিন, থিয়ামাইন, রিবোফ্লাভিন, খনিজ পদার্থ, ট্যানিন,ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন,নিয়াসিন এবং ভিটামিন সি। যা শরীরের পুষ্টিঘাটতি পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ করে।
বেলচূর্ণ বলতে সাধারণত বেলের ফল শুকিয়ে গুঁড়া করা অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা বেলশুট বা বেল পাউডার নামেও পরিচিত। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধিতে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া নিরাময়ে, এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে।

উপকারিতাসমূহঃ

১। নানাবিধ রোগ সারাতে বেল খুবই কার্যকর। যেমন,হজমের সমস্যা, পাইলস, পেপ্টিক আলসার এবং ডায়রিয়া।
২। IBS সমস্যা নির্মূলে সাহায্য করে।
৩। শারীরিক দুর্বলতা বা এনার্জির ঘাটতি পূরনে বেল ভীষণ উপকারী।
৪। বেল পাকস্থলী ও লিভারের শক্তি বৃদ্ধি করে।কিডনী ভালো রাখে।
৫। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। হার্ট স্ট্রোক ও অ্যাটাক নিরাময়ে বেল খুব কার্যকর।
৬। বেলে থাকা ফাইবার এবং অন্যান্য লাক্সাটিভ প্রোপার্টিস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।বেলে উচ্চ পরিমাণে ‘ফেরোনিয়া গাম’ নামক প্রাকৃতিক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৮। শুকনা বেল পাউডার ক্রনিক ডায়রিয়া ও আমাশয় নির্মূল করে।
৯। রক্তের খারাপ কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।
১০। শরীর থেকে টক্সিন তথা দূষিত পদার্থ বের করতে ভূমিকা রাখে।

বেলচূর্ণ খাওয়ার নিয়মঃ

  • ভাল উপকার পেতে রাতে ১ চামচ বেল পাউডার হাফ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পানিটা খেতে হবে।
  • অন্যান্য সময় সাধারণ পানির সাথে মিশিয়ে শরবত বানিয়ে খাওয়া যায়।
Additional information
Weight0.1 kg
ওয়ারহাউজরাজশাহী